Today one of my feature published in Daily Khowai.
|
অভিযান- এ্যালটোন টাওয়ারস
মাশায়েখ হাসান সমুদ্র
শুরু
হল অভিযান- এ্যালটোন টাওয়ারস্। মূল পার্কে ঢুকতে গেলে একটি রাইডের মতো
ট্রেন দিয়ে পাড় হতে হবে। সেই ট্রেন এর লাইন বেশ উঁচু। নিচের মানুষগুলোকে
এতটুকু দেখা যায়। ট্রেন থেকে নেমেই আন্টি টিকেট কিনতে গেল। টিকেট কেনার পর
আব্বু, আম্মু, আংকেল, আন্টি ও আদিল একসাথে ছিলাম। আমি আর অয়ন একসাথে ছিলাম।
আমি আর অয়ন গেলাম শুরুতে ংঢ়রহ নধষষ রাইড এর কাছে। সেখানে শুনলাম প্রায় দুই
ঘন্টা লাইনে দাঁড়াতে হবে। তাই আমরা ছুটে গেলাম চার্লিস চকলেট ফ্যাক্টরীতে।
ফ্যাক্টরিতে ঢোকার পড়ে একটা ব্রিফিং পেলাম স্ক্রীনএ। পড়ে রাইড এ উঠলাম।
সেটি একটি নৌকা। সেটাতে ভ্রমণের মাধ্যমে একটা কাহিনী তুলে ধরা হয়েছে।
বিভিন্ন পুতুল সাজানো ছিল এবং চকলেট কিভাবে তৈরী হয় তাও দেখানো হচ্ছিল।
তারপাশে ছিল চকলেটের মিষ্টি ঘ্রাণ। সেটা থেকে বের হয়ে আর একটি রাইড এ
গেলাম, যেটা হল মাশরুম। সেটাতে বসলে এটা উপরে গিয়ে গোলভাবে ঘুরতে থাকে।
আমি তো বাতাসের জন্য ঠান্ডা হয়ে গিয়েছিলাম।সেটা থেকে নামার পর আমি আর অয়ন রেস্টুরেন্ট এ গিয়ে খেলাম। আমার কাছে ১০ পাউন্ড ছিল। পরে সেখান থেকে বেরিয়ে আংকেল, আন্টি সবার সাথে দেখা হলো। সেখানে আমরা অন্য একটা রাইডের জন্য অপেক্ষা করছিলাম। সেটা হলো ওপব অমব ৪উ! সবাইকে ৪উ গ্লাস দেয়া হল। পরে আমরা ঢুকলাম হলে। সেখানে ৪উ এক্সপেরিয়েন্স এর জন্য কৃত্রিম তুষার বাবলস এবং বাতাসের ঝটকার আয়োজন ছিল। উপভোগ করলাম। তারপর আমি আর অয়ন আংকেলদের থেকে বিচ্ছিন্ন হলাম। পরে আমরা দুজন আর একটি রাইডে উঠলাম। সেটাও রোলার কোস্টার এর মত কিন্তু ডিজাইনটা আলাদা। এই রাইড শেষে আমরা গেলাম ভূতের বাড়িতে। যেখানে ভূত মারতে হবে লেজার গান এর মাধ্যমে। আমি ভূত মারাতে ১৬০০ স্কোর করলাম। তারপর বের হয়ে স্কাই রাইড এর মাধ্যমে আরেক জায়গাতে গেলাম। শেষ রাইড আমরা সেই স্পিন বলে উঠলাম। খুবই ভয়ানক এবং মজার ছিল সেই রাইড। তারপর আমাদের সবার দেখা হল। এবার ফেরার পালা। সেই পুরো দিনটা খুব ভালোই কেটেছিল।
মাশায়েখ হাসান সমুদ্র
বয়স-১২+ হবিগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় |
শুরু
হল অভিযান- এ্যালটোন টাওয়ারস্। মূল পার্কে ঢুকতে গেলে একটি রাইডের মতো
ট্রেন দিয়ে পাড় হতে হবে। সেই ট্রেন এর লাইন বেশ উঁচু। নিচের মানুষগুলোকে
এতটুকু দেখা যায়। ট্রেন থেকে নেমেই আন্টি টিকেট কিনতে গেল। টিকেট কেনার পর
আব্বু, আম্মু, আংকেল, আন্টি ও আদিল একসাথে ছিলাম। আমি আর অয়ন একসাথে ছিলাম।
আমি আর অয়ন গেলাম শুরুতে ংঢ়রহ নধষষ রাইড এর কাছে। সেখানে শুনলাম প্রায় দুই
ঘন্টা লাইনে দাঁড়াতে হবে। তাই আমরা ছুটে গেলাম চার্লিস চকলেট ফ্যাক্টরীতে।
ফ্যাক্টরিতে ঢোকার পড়ে একটা ব্রিফিং পেলাম স্ক্রীনএ। পড়ে রাইড এ উঠলাম।
সেটি একটি নৌকা। সেটাতে ভ্রমণের মাধ্যমে একটা কাহিনী তুলে ধরা হয়েছে।
বিভিন্ন পুতুল সাজানো ছিল এবং চকলেট কিভাবে তৈরী হয় তাও দেখানো হচ্ছিল।
তারপাশে ছিল চকলেটের মিষ্টি ঘ্রাণ। সেটা থেকে বের হয়ে আর একটি রাইড এ
গেলাম, যেটা হল মাশরুম। সেটাতে বসলে এটা উপরে গিয়ে গোলভাবে ঘুরতে থাকে।
আমি তো বাতাসের জন্য ঠান্ডা হয়ে গিয়েছিলাম।